বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও উদ্ঘাটন হয়নি। তবে জামিলের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘরবেহই যে হত্যাকারী তার সব প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আদালতে শুনানির সময় জামিল ও বৃষ্টির সহপাঠীরা উপস্থিত ছিলেন। খুনের তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ তুলে ধরে সরকারি আইনজীবী অভিযুক্ত হিশামের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেন। হিশামের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
আরও পড়ুন: ধারণা প্রসিকিউটরদের /অ্যাপার্টমেন্টেই খুন হন বৃষ্টি-লিমন, গাড়িতে নিয়ে লাশ ফেলা হয় পানিতে
এদিকে, জামিলের মরদেহ উদ্ধারের চারদিন পর মঙ্গলবার স্থানীয় ফিউনারেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানিয়েছেন, তদন্তকারী সংস্থা ও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের অফিসের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে ফ্লোরিডা কনস্যুলেট।
প্রেস মিনিস্টার জানান, একই ঘটনায় হত্যার শিকার অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত হয়নি। উদ্ধার হওয়া একটি মরদেহের সঙ্গে বৃষ্টির ডিএনএ মিলিয়ে দেখতে ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।
গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) লিমনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি অভিযুক্ত হিশামের রুমমেট ছিলেন, যিনি নিজেও ইউএসএফ-এর প্রাক্তন ছাত্র। এ ঘটনায় এখনও বৃষ্টির মরদেহ পাওয়া যায়নি।
]]>
৬ দিন আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·