নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা বলেছেন যে, প্রস্তাবটি নির্ভর করবে পক্ষগুলো ভিন্ন কোনো স্থানের জন্য অনুরোধ করে কি না তার ওপর।
কর্মকর্তাদের একজন বলেছেন, কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হলেও, প্রথম আলোচনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা ছিল না, বরং এটি একটি চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ ছিল।
আরও পড়ুন:হরমুজে মার্কিন নৌ অবরোধ নিয়ে যা বললেন ইরানের রাষ্ট্রদূত
দ্বিতীয় আলোচনায় একই স্তরের প্রতিনিধিদল অংশ নেবে কিনা, তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ওই কূটনীতিক ও মার্কিন কর্মকর্তারা।
এদিকে, গোপন আলোচনা সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তারা ডনকে জানিয়েছেন যে, মধ্যস্থতাকারীরা তেহরান ও ওয়াশিংটনকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে এবং এই প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পাকিস্তান, যাদের সমর্থন দিচ্ছে তুর্কি ও মিশরীয়রা। তারা বলেন, তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হলো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো।
কূটনীতিক ও মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, আয়োজক স্থান হিসেবে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ নিয়ে আবারও আলোচনা চলছে।
তবে, জেনেভাও একটি সম্ভাব্য স্থান হতে পারে। যদিও এর স্থান ও সময় এখনও নির্ধারিত হয়নি, আলোচনাটি বৃহস্পতিবার হতে পারে।
আরও পড়ুন:হরমুজে সামরিক সমাধানের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়ে যা বলল তুরস্ক
অন্যদিকে, মতামত জানতে চেয়ে পাঠানো এক বার্তার তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি হোয়াইট হাউস।
]]>
৬ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·