বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
যাচাই-বাছাইয়ে যশোর-১ (শার্শা) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন: বিএনপির দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেয়ায় মফিকুল হাসান তৃপ্তি, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান আলী গোলদার।
এ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন, জাতীয় পার্টি মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ আজীজুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বক্তিয়ার রহমানের।
অন্যদিকে, যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৫ প্রার্থীর। এর মধ্যে ব্যাংক ঋণ (ক্রেডিট কার্ড) সংক্রান্ত জটিলতায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারায় বিএনপির মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের মনোনয়নপত্রে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটি থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। একইসঙ্গে জাতীয় পার্টি মনোনীত ফিরোজ শাহ’র টিআইএন ও ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ না থাকায় তাদের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: যশোর-৪: বিএনপি প্রার্থীকে ‘ঋণখেলাপি’ উল্লেখ করে ব্যাংকের চিঠি
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইদ্রিস আলী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ইমরান খান, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) রিপন মাহমুদ এবং বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী শামসুল হক।
জানতে চাইলে যশোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, ‘আজ দুটি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে ৬টি আসনের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যশোর-১ ও ২ আসনে মোট ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা প্রার্থিতা ফিরে পেতে নিয়মানুযায়ী আপিলের সুযোগ পাবেন।’
যশোর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৬টি সংসদীয় আসনে ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে ১০ জন, জামায়াতে ইসলামীর ৬ জন, স্বতন্ত্র ১০ জন, ইসলামী আন্দোলনের ৬ জন, জাতীয় পার্টির ৬ জন এবং বিএনএফ, বাসদ, জাগপা, সিপিবি, খেলাফত মজলিস ও মাইনরিটি জনতা পার্টি থেকে একজন করে ও এবি পার্টির ২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর আগে ৬টি আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ৭১ জন প্রার্থী।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·