যশোরে পেট্রোল পাম্পে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান

২ সপ্তাহ আগে
নিজ শহরের দুটি পেট্রোল পাম্পে আকস্মিক অভিযান চালিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে যশোর মনিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীক ও মনিরুদ্দীন পেট্রোল পাম্পে এ অভিযান চালান তিনি। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য।


অসচেতনতা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল মজুতের হিড়িক পড়ায় সারা দেশে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। 


যশোরের পাম্প মালিকদের দাবি, ডিজেলের সরবরাহ মোটামুটি থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। শহরের অধিকাংশ পাম্পে এখন ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলছে। 


ভুক্তভোগীরা বলছেন, তেলের প্রকৃত সংকটের চেয়ে গ্রাহকদের আতঙ্কই বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রতিমন্ত্রী আজ শহরের মনিহার এলাকায় অবস্থিত ‘মনির উদ্দিন ফিলিং স্টেশন’ ও ‘যাত্রীক পেট্রোলিয়াম সার্ভিস’ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পাম্প দুটির স্টোরেজ যাচাই করেন এবং তেল ক্রয়-বিক্রয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করেন। নথিপত্রে কিছু অসংগতি পাওয়ায় পাম্প কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন তিনি।

আরও পড়ুন: যশোরে চলন্ত বাসে ভয়াবহ আগুন

পাম্পে অপেক্ষমাণ চালকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। সরকার পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। আপনারা অহেতুক আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি তেল মজুত করবেন না।’


যাত্রীক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ইকরাম হোসেন অভিযোগ করেন, চাহিদামতো সরবরাহ না পাওয়ার পাশাপাশি অনেক চালক দিনে ৩-৪ বার করে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। এই অপ্রয়োজনীয় সংগ্রহের কারণেই সাধারণ মানুষ তেল পাচ্ছে না।


তবে চলমান অস্থিরতার মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর এমন ঝটিকা অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি এনেছে। তারা আশা করছেন, সরকারের এই ধরণের তৎপরতা অব্যাহত থাকলে পাম্প মালিক ও অসাধু ক্রেতাদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন