নিহত সকিনা বেগম বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল নয়টার দিকে দোকানে যাওয়ার সময় তাঁর মায়ের খোঁজ করেন। তখন শহিদুলের স্ত্রী মরিয়ম জানান, তাঁর শাশুড়ি বাইরে ‘তালিমে’ গেছেন। একই সঙ্গে দুপুরে শহিদুলকে বাইরে খেয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে মরিয়ম জানান যে বাসায় রান্না হয়নি।
রাত ১০টার দিকে শহিদুল বাসায় ফিরে মাকে না পেয়ে আবার স্ত্রীর কাছে জানতে চান। তখনও তাঁর স্ত্রী দাবি করেন যে সকিনা বেগম এখনো বাসায় ফেরেননি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও মায়ের সন্ধান না পেয়ে শহিদুলের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর তিনি দ্রুত যশোর কোতোয়ালি থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।
থানা থেকে ফিরে রাত ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে শহিদুল নিজ বাসার সামনে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। বস্তাটি খুললে ভেতরে তাঁর মায়ের নিথর দেহ পাওয়া যায়। পরে শহিদুল ও তাঁর বোন শাহিদা বেগম মরদেহটি তাঁদের মায়ের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় নিজ ঘরের ফ্যানে ঝুলছিল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
ঘটনার বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বৃদ্ধার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
ওসি আরও বলেন, 'ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষেই বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'
এদিকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

১ সপ্তাহে আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·