আহতদের মধ্যে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন- উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রিয়াদ হোসেন, যুবদল কর্মী শামীম হোসেন (২৭), কাজল (৩৮), টনি (৩৩) এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বাবু।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মোটরসাইকেলে তেলের সিরিয়াল দেওয়া নিয়ে যুবদল নেতা রিয়াদ হোসেন ও ছাত্রদল নেতা বাবুর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমন হাসান রকি বলেন, ‘যারা মারামারিতে জড়িয়েছে, তারা আমাদের দলের পদধারী কোনো নেতা নয়, সমর্থক মাত্র। ছোট একটি ঘটনাকে সাংবাদিকেরা তিলকে তাল করছেন।’
আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় ৬ ড্রাম জ্বালানি তেল জব্দ, একজনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড
তবে এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম এ মান্নানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ‘ব্যস্ত আছেন’ বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আমিন বলেন, তেলের সিরিয়াল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·