যশোর বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত

৪ সপ্তাহ আগে
বিমানবন্দরে হাইজ্যাক ও বোমা হামলার মতো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা যাচাই ও বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিমানবন্দরে ‘এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় এই পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মহড়া সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। 

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি দুই বছরে একবার এই মহড়া আয়োজন করা বাধ্যতামূলক। মহড়ার অংশ হিসেবে দেখানো হয়, সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ১০ জন যাত্রী নিয়ে এয়ার বাংলাদেশ-২৪৭ ফ্লাইটটি যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। উড্ডয়নের ১০ মিনিটের মধ্যে যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কাছে বিমানে বোমা থাকার একটি বেনামি হুমকি আসে। তাৎক্ষণিকভাবে ‘ফুল এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করে ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার সক্রিয় করা হয়। 

 

এরপর বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসসহ সকল সংস্থা সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।মহড়াটিতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন, আনসার, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল টিমসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। 


আরও পড়ুন: যশোর জামায়াতের সভার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, সমাগম হতে পারে ৩ লাখ মানুষের


তিনি বলেন, এ ধরনের মহড়া কেবল নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় আমাদের প্রস্তুতিই বাড়ায় না, বরং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। তিনি আরও জানান, যশোর বিমানবন্দরের নতুন বহির্গমন টার্মিনাল ও এপ্রোনের কাজ শেষ হয়েছে এবং রানওয়ে শক্তিবৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিমান এখানে ওঠানামা করতে পারবে।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান। মহড়ার মূল পরিকল্পনায় ছিলেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল। এছাড়া বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন