পাবনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুরে পাবনা শিল্পকলা একাডেমিতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকারের বক্তব্যের সময় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য শুরু করেন অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। শুরুতেই তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক বলে উল্লেখ করেন। এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে আওয়ামীপন্থি একাংশ প্রতিবাদ করেন এবং ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন।
আরও পড়ুন: শবে কদর / মুসলিম সম্প্রদায়ের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা তারেক রহমানের
একপর্যায়ে বক্তব্য শেষ না করেই চলে আসেন অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। এসময় অনুষ্ঠানে চরম হট্টগোল দেখা দেয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম ও পাবনা পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘ওখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার একটি অনুষ্ঠান চলছিল। এসময় পতিত সরকারের কিছু দোসর ও অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছিল। ঢুকে তারা প্রোগ্রামটা নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করছিল। পরে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের হস্তক্ষেপে তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যায় এবং প্রোগ্রাম সুন্দরভাবে শেষ হয়।’
আরও পড়ুন: ১৪৪ ধারা জারি / মিরসরাইয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে পথচারী নিহত
বিতর্কের বিষয়ে মুখ না খুললেও পাবনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এবিষয়ে ক্লিয়ারভাবে বলতে পারছি না। তবে বিএনপির কোনো একজন নেতা বক্তব্য দিচ্ছিলেন, এসময় তার বক্তব্যের একটা অংশে নিয়ে আপত্তি তুলে কয়েকজন লোক তাকে বলেন যে আপনি এই বক্তব্য দিতে পারেন না। পরে অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়েছে।’