পরে তিন ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষ ফাঁকা গুলি, টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ জানায়, মুক্তাগাছা শহরের আটানী বাজারে ট্রাফিক জ্যামকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার বিকেলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মিনি পিকআপ চালকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় স্থানীয় দোকানদার মনিরুজ্জামান খোকন অটোচালকের পক্ষ নিয়ে কথা বলায় সন্ধ্যায় তার দোকানে হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে এবং দোকান ভাঙচুর করে কিছু যুবক।
আরও পড়ুন: জীবননগরে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ৪
এ ঘটনার জেরে শনিবার সন্ধ্যায় তারাটি এবং পাড়াটঙ্গী এলাকার প্রায় দুই শতাধিক লোক একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে প্রায় ১০-১২টি দোকান ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় উভয়পক্ষের ইটপাটকেলের আঘাতে ৫ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে রাত ৯টার দিকে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, দুই আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র্যাব-১৪ ঘটনাস্থলে সাঁজোয়া যান নিয়ে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সময় পুলিশ উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে রাত ১০টার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

৬ দিন আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·