এক বিবৃতিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানায়, নিহত ব্যক্তির হাতে অস্ত্র ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে নিরস্ত্র করতে চাইলে তিনি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। সরকারি এজেন্টরা নিজেদের আত্মরক্ষার্থে তার ওপর গুলি চালায়।
এদিকে ঘটনার তদন্তের আগেই ট্রাম্পের সহযোগী হোয়াইট হাউসের সিনিয়র সহকারী স্টিফেন মিলার নিহত ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। যদিও পুলিশ প্রধান বলছেন, গুলির ঘটনা এখনও স্পষ্ট নয়।
মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে অভিযোগ করেছেন, মুখোশধারী এজেন্টরা স্থানীয় বাসিন্দাদের মারধর ও গুলি করে হত্যা করছে। তিনি শহরে কর্মরত ফেডারেল এজেন্টদের দায়মুক্তিরও নিন্দা জানান।
আরও পড়ুন: ধর্মঘটে অচল যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিস শহর
চলমান অভিবাসী ধরপাকড় ও বিক্ষোভের মধ্যে মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে মিনিয়াপোলিস থেকে আইস সদস্যদের সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি ফেডারেল এজেন্টদের গুলি চালানোর ঘটনা তদন্তেরও অনুমতি চেয়েছেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশটির অভিবাসন ও কাস্টমস বিভাগের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন সদস্যের গুলিতে মিনিয়াপোলিসে ৩৭ বয়সি এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত রেনি নিকোল গুড মার্কিন নাগরিক ছিলেন।
অভিবাসন বিরোধী অভিযানে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিস শহর। তীব্র সমালোচনার মাঝেও আটক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বিতর্কিত অভিবাসন পুলিশ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট- আইসিই। অভিযানে প্রায় প্রতিদিনই আটক করা হচ্ছে অভিবাসীদের।
আরও পড়ুন: মিনেসোটায় পাঁচ বছর বয়সি শিশুকেও আটক করলো অভিবাসন পুলিশ
নতুন করে একটি গাড়ি আটকানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চালককে গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে মাটিতে ফেলে দেন আইসিই কর্মকর্তারা। এ সময় তাকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা আটকে দেন পথচারীরা। প্রতিবাদের মুখে পরে ওই চালককে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আইসিই।
এর আগে অভিবাসীবিরোধী অভিযানকালে গত মঙ্গলবার পাঁচ বছর বয়সি এক শিশু এবং তার বাবাকে আটক করে অভিবাসন পুলিশ আইসিই। এ ঘটনায় স্থানীয় অধিবাসী, শিক্ষা প্রশাসন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার এজেন্টরা দুই বছরের এক শিশুকন্যা এবং তার বাবাকে আটক করে টেক্সাসে পাঠিয়ে দিয়েছেন। পরিবারের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, আইসিই সদস্যদের কাছে কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিকে মানবধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। অভিবাসন নীতি ও আইন প্রয়োগের সময় ব্যক্তিগত অধিকার ও ন্যায্য প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে গ্রেফতার উদ্বেগজনক।

৪ সপ্তাহ আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·