বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ২১ এপ্রিল সকালে সেলাঙ্গরের শাহ আলম ও পুচং এলাকার দুটি শিল্প ও লজিস্টিকস কারখানায় ৬৬ জন অভিবাসন কর্মকর্তা ও ১২ জন জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের কর্মকর্তা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে মোট ১১২ জন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে ৫৬ জন বাংলাদেশি, ৪ জন নেপালি, একজন ভারতীয় এবং একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিককে বিভিন্ন অপরাধে আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটকরা অন্য কোম্পানির নামে ইস্যুকৃত ‘টেম্পোরারি ওয়ার্ক ভিজিট পাস’ (পিএলকেএস) ব্যবহার এবং অনুমোদিত কর্মক্ষেত্রের বাইরে অবৈধভাবে কাজ করছিলেন।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় গ্লাভস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ, কর্মহীন শ্রমিকদের পাশে সরকার
অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, নিয়োগকর্তার সরাসরি যোগসাজশ ছাড়া এ ধরনের প্রতারণা সম্ভব নয়, তাই এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৬(১)(সি), ১৫(১)(সি) এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধির ৩৯(বি) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও তিনজনকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়েছে।
আটকদের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপো এবং কেএলআইএ ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আইন অমান্যকারী বিদেশি কর্মী কিংবা তাদের নিয়োগকর্তা কাউকেই কোনো ছাড় দেয়া হবে না এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·