সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় তার মৃত্যু হয়। অরুণ লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চররোহিতা গ্রামের সোলেমান হায়দারের পুত্র।
হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, এদিন বেলা ১১টার দিকে স্ত্রী শাহানাজ শরীফসহ ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহের জন্য তিনি দূতাবাসে উপস্থিত হয়েছিলেন।
অরুণের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে মানবিক কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তার ট্রাভেল পারমিট ইস্যুর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ। তবে অপেক্ষমাণ থাকাবস্থায় তিনি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। অ্যাম্বুলেন্সে আসা প্যারামেডিক নার্স পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
হাইকমিশন থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মালয়েশিয়ান পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়।
মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, অরুণ উচ্চ ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন এবং সম্প্রতি তার একটি মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছিল। অরুণের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দ্রুত দেশে প্রেরণের প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।
]]>
২ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·