নতুন নীতিমালায় মূলত দুটি প্রধান ক্যাটাগরিতে স্টুডেন্ট পাস (পড়াশোনা করার জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দেয়া আনুষ্ঠানিক পারমিট বা ভিসা) দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এক. স্কুল ক্যাটাগরি: ৩ থেকে ১৯ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা প্রাক-প্রাথমিক (নার্সারি/কিন্ডারগার্টেন) থেকে শুরু করে পোস্ট-সেকেন্ডারি (প্রি-টার্শিয়ারি) পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ পাবেন।
দুই. উচ্চশিক্ষা ক্যাটাগরি: সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রির শিক্ষার্থীরা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মেনে চলতে হবে: ১. আবেদনের সময় পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ১৮ মাস থাকতে হবে। ২. সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একটি অফিশিয়াল অফার লেটার থাকতে হবে।
৩. আবেদন প্রক্রিয়াটি অবশ্যই এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস (ইএমজিএস) সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। ৪. আবেদনকারীকে মালয়েশিয়ার বাইরে থেকে আবেদন করতে হবে। ভিসা অ্যাপ্রুভাল লেটার এবং ই-ভিসা পাওয়ার পরই দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। ৫. মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর নির্ধারিত মেডিকেল স্ক্রিনিং সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা শেষে বিপাকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
ফি ও পাসের মেয়াদ: স্টুডেন্ট পাস ফি: বার্ষিক ৬০ রিঙ্গিত, ডিপেনডেন্ট/অভিভাবক পাস: বার্ষিক ৯০ রিঙ্গিত। মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা: দেশভেদে নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হবে। সাধারণত স্টুডেন্ট পাসের মেয়াদ ১২ মাস দেওয়া হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে এককালীন ২৪ বা ৩৬ মাসের পাস ইস্যু করা হতে পারে।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার বিশেষ কিছু সুযোগ নিশ্চিত করেছে। যেমন স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সাথে বাবা-মা বা ৭ বছরের কম বয়সী ভাই-বোন থাকতে পারবেন। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে স্বামী/স্ত্রী, সন্তান (১৮ বছরের নিচে বা প্রতিবন্ধী হলে যেকোনো বয়স) এবং বাবা-মা বা শ্বশুর-শাশুড়িকে ডিপেনডেন্ট হিসেবে আনার সুযোগ রয়েছে।
সুযোগ থাকছে পার্ট-টাইম কাজের। শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার বিরতি বা সরকারি ছুটির সময় সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। তবে কাজের ক্ষেত্রগুলো নির্দিষ্ট যেমন রেস্তোরাঁ, পেট্রোল পাম্প, মিনি মার্কেট ও হোটেল।
আরও পড়ুন: বেগম জিয়ার আরোগ্য কামনায় মালয়েশিয়া বিএনপির দোয়া মাহফিল
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে পড়াশোনা শেষ করার পরবর্তী সুযোগে: যেমন গ্র্যাজুয়েট পাস: ৩২টি নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ১ বছরের ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ চালু করা হয়েছে (বর্তমানে বাংলাদেশ এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়)। এবং এমপ্লয়মেন্ট পাস: যোগ্য শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে মালয়েশিয়া না ছেড়েই সরাসরি এমপ্লয়মেন্ট পাস (ক্যাটাগরি-১ এবং ২) এ রূপান্তর করে চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·