এই পাঁচ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়েছে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন। পাশাপাশি নিহতদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমি মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ দুইজন প্রবাসীকে দেখেছি এবং ডাক্তারদের সাথে আলোচনা করেছি।তাদের দুজনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। এখনও তাদের শ্বাসনালীতে বার্ণ আছে।
তিনি আরও বলেন,একজনকে ইতিমধ্যেই আইসিউ তে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং অপরজনকেও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট এ স্থানান্তর করা হবে। আমরা সার্বক্ষণিক নিহতদের পরিবার ও চিকিৎসাকদের সাথে যোগাযোগ রাখছি। আমাদের দুইজন সহকর্মী উক্ত দ্বীপে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশিকে খুঁজছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হাইকমিশনের কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান সময় সংবাদকে বলেন, ইতিমধ্যেই মিশনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসী বাংলাদেশির পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের দাবি মোতাবেক নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ দেশে পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। একইসাথে নিহতদের মালিক পক্ষের সাথে তাদের মরদেহ দেশে পাঠানো ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
আজ শুক্রবার ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য রান্না করতে গেলে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর লেবার কোয়ার্টারে থাকা ৩৬'জন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ৮’জন গুরুতর অগ্নিদ্বগ্ধ হয়। এ সময় বাকিরা অন্য রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন।
স্থানীয় নাগরিক এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দ্রুত তাদের সবাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। বাকি দুইজন প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানী মালে স্থানান্তর করা হয়। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন: দ. কোরিয়ায় বিদেশিদের অপরাধ নিয়ে মিডিয়ার প্রতিবেদন: বাস্তবতা নাকি অতিরঞ্জন?
ভয়াবহ এ অগ্নিদ্বগ্ধে নিহত বাংলাদেশিরা হলেন,লক্ষিপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার তাজ উদ্দিন ইসলাম (৩০), ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা মো. রবিন মোল্লা (২৬), হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মো. সদর আলী (৪৭), বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মো. নূরনবী সরকার (২৮), নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার সফিকুল ইসলাম (৪৫)।
এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি সুনামগঞ্জ জেলার জামাল উদ্দিন ও কুমিল্লা জেলার সাদ্দাম হোসেন (২৮) গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·