কয়েক মাসের অব্যাহত সামরিক চাপ ও হুমকি-ধামকির পর গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালায় এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে অপহরণ করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে এক বন্দিশিবিরে রেখে ‘মাদক পাচার’র অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলাকে ‘চালাবে’ এবং এর বিশাল তেলের ভাণ্ডার ব্যবহার করবে। তবে আমেরিকা কীভাবে এটা করবে তা বিস্তারিত জানাননি তিনি। এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ভেনেজুয়েলা বিষয়ে আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) একটি জরুরি বৈঠকে বসবে। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন পদক্ষেপ ‘একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে’।
এদিকে মাদুরোর অনুপস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার আদালতের আদেশে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। তবে মাদুরোকেই ‘ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট’ বলে অভিহিত করেছেন।
আরও পড়ুন: মাদুরোকে আটক: সত্যিই কি ভেনেজুয়েলা চালাতে পারবেন ট্রাম্প?
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাদ্রিনো অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। রোববার টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনীকে সক্রিয় করা হয়েছে।
বিবৃতিতে পাদ্রিনো মার্কিন পদক্ষেপকে ‘কাপুরুষোচিত অপহরণ’ বলে নিন্দা করেন এবং বলেন, মাদুরোর কিছু দেহরক্ষীকে ‘ঠান্ডা মাথায়’ হত্যা করা হয়েছে। সেই সাথে ভেনেজুয়েলার কিছু সেনা সদস্য এবং বেসামরিক নাগরিকদেরও হত্যা করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষ এখনও আহত বা নিহত ব্যক্তিদের সংখ্যা জানায়নি।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·