জানা গেছে, ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করলেও ১ শতাংশ ভোটার সঠিক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান ভূইয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ১ শতাংশ ভোটারেন সমর্থন সঠিক না থাকা এবং ঋণ খেলাপী স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর এ. আর. খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। হলফনামায় তথ্য ভুল এবং ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুন বিন আবদুল মান্নান ও হাসিনা খান চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হয়। ঋণ খেলাপী থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শামসুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ঋণ খেলাপী থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান, ১ শতাংশ ভোটার সমর্থকের তালিকা সঠিক না থাকায় আল ফাতাহ্ মো. আবদুল হান্নান খান, আলমগীর মাহমুদ, মুশফিকুর রহমান ও মো. মতিউর রহমানের বাতিল হয়।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমের শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে অসংগতি থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। বাকি ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দিনে ময়মনসিংহ-৪ আসনে হলফনামায় সম্পদের বিবরণ না দেয়ায় বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলী ও আয়কর রিটার্নে সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের তথ্য না তথ্য না দেয়ায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টি হামিদুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া দলের মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রধানের সাক্ষরে মিল না থাকা ও আয়কর রিটার্নে আয়-ব্যয়ের তথ্য না থাকায় ময়মনসিংহ-৫ আসনে এবি প্রার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মনোনয়নপত্র যাচাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ‘কর্মকাণ্ডে’ জামায়াতের উদ্বেগ
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে ঋণ খেলাপির কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ রানার বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় বিএনপির দলীয় প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া মামলার তথ্য না দেওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল কদ্দুস, হলফনামা অসম্পূর্ণ থাকা এবং এক শতাংশ ভোটার সমর্থন সঠিক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত, জয়নাল আবেদিন ও আবুল মুনসুর এবং এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ না করে প্রার্থী হওয়ায় খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে হলফনামায় বিচারাধীন মামলার তথ্য উল্লেখ না করা এবং ঋণখেলাপির তথ্য পাওয়ায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী রাশিদুল হকের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিকের মনোনয়ন বাতিল করা হয় এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর দাখিল না করায়। একই আসনে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ারের আয়কর রিটার্ন ও সম্পদের বিবরণী জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
আর ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে মামলা সংক্রান্ত তথ্য ও সম্পদের বিবরণী জমা না দেওয়ায় নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী আবু তাহের খান এবং হলফনামায় সম্পদের বিবরণী দাখিল না করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শরীফুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·