স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, মোবাইল নিয়ে ভোট গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি নেই। সে জন্য মমতা ও শুভেন্দুর মোবাইল নিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে, সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে ভোট গণনা কেন্দ্রে গিয়েছিলেন মমতার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তাকে বেরিয়ে যেতে বলে নির্বাচন কমিশন। কারণ, তিনি প্রার্থী নন। প্রার্থী বা এজেন্ট ছাড়া গণনা কেন্দ্রে কারও থাকার কথা নয়।
এর আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ গাড়ির সামনে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেয় বিজেপি। পরিস্থিতি হয়ে ওঠে উত্তপ্ত।
আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিয়ে মমতা ও মোদির দলের সংঘাত!
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার মাঝেই রাজ্যের নানা প্রান্তে তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ের চালে উঠে বিজেপির পতাকা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া বরানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে। জামালপুরে শাসক শিবিরের কার্যালয়ে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে।
জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করার খবর পাওয়া গেছে। দেয়া হয়েছে আগুনও। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। বীজপুর এবং নোয়াপাড়াতেও তৃণমূলের প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ। এরপরেই জেলাশাসক, সিপিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: বিধানসভা নির্বাচন /পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে মমতার দলের কার্যালয়ে হামলা-আগুন!
পশ্চিমবঙ্গে কারা সরকার গড়তে চলেছে, তৃণমূলের ওপরই রাজ্যের মানুষ আস্থা রেখেছে নাকি বিজেপি পদ্ম ফোটাতে চলেছে, তা জানতে এ রাজ্যের ভোটের ফলের দিকে তাকিয়ে গোটা ভারত। ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় নির্বাচনী অপরাধ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে সমগ্র বিধানসভার ভোট বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ওই কেন্দ্রে ফের ভোট হবে ২১ মে। গণনা হবে ২৪ মে। তাই সোমবার ফলতা বাদে বাকি কেন্দ্রগুলির ভোটগণনা।
]]>
১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·