সোমবার (৩০ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ তুলে বর্তমান সময়ের মব কালচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে মব কালচারের শিকার হয়ে ২৫০ থেকে ৩০০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে। তিনি নিজেও গত ২১ ফেব্রুয়ারি এ ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন এবং এ প্রবণতা বন্ধে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেয়ার পরই স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছি যে বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, দাবি আদায়ের জন্য মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করার যে প্রবণতা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেখা গিয়েছিল, তা আর কখনো অনুমোদন করা হবে না।
আরও পড়ুন: সব গুম-খুন, গণহত্যার বিচার হবে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মব এবং সুসংগঠিত অপরাধের পার্থক্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সব ঘটনাকে মব বলে আখ্যা দেওয়া ঠিক নয়। কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর করা পরিকল্পিত অপরাধ, যার বিরুদ্ধে মামলা হয়, তদন্ত হয় এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা জানাতে হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়া, সেমিনার আয়োজন বা জনসমাবেশ করার অধিকার সবার আছে এবং সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, কিন্তু মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা থেকে দেশকে বেরিয়ে আসতে হবে।

২ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·