‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে’, ‘এক-এগারোর বিতর্কিত কুশীলবরা আতঙ্কে’

১৬ ঘন্টা আগে
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শনিবার (২৮ মার্চ) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।

 

কঠোর হচ্ছে পাবলিক পরীক্ষা - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের চেয়ে কঠোর হচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা। নকল ও প্রশ্ন ফাঁস রোধে থাকবে বিশেষ অভিযান। নজরদারির জন্য পর্যায়ক্রমে সব পরীক্ষাকেন্দ্রে বসবে সিসি ক্যামেরা। তাৎক্ষণিকভাবে পরিদর্শন করা হবে দেশের যেকোনো কেন্দ্র।


 

 


পাবলিক পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্ন ফাঁস রোধে এসব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বসানো হবে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। এই কেন্দ্রগুলো বিশেষভাবে তদারক করা হবে। পর্যায়ক্রমে সব কেন্দ্রে বাধ্যতামূলকভাবে সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।


এক-এগারোর বিতর্কিত কুশীলবরা আতঙ্কে - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। 


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতারের পর ওয়ান-ইলেভেনের অন্য কুশীলবদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কুশীলবদের মধ্যে বিদেশে অবস্থানকারীরা যেমন সতর্ক অবস্থানে চলে গেছেন, পাশাপাশি দেশে অবস্থানকারীরা চলে গেছেন আত্মগোপনে।


 

 


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবেক ওই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার গ্রেফতারের পর কেউ কেউ দেশ ছাড়ারও চেষ্টা করছেন। তবে তাদের বিদেশ যাত্রার ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ওই কুশীলবরা কেউ বিমানবন্দর অতিক্রম করতে গেলে বাধার মুখে পড়বেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য মিলছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশিত দুটি খবর ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রথমটি ইরানের পক্ষ নিয়ে হুতি বিদ্রোহীদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ঘোষণা এবং দ্বিতীয়টি মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের প্রস্তুতি।

 

 


 


এ দুটি খবরই এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার কথা বলছেন। ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার সময়সীমা ১০ দিন পিছিয়েও দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনার কথা বলে ট্রাম্প মূলত সেনা মোতায়েনের জন্য যথেষ্ট সময় অর্জন করতে চাইছেন। এই প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে তিনি পারস্য উপসাগরের খার্গ দ্বীপ দখলের অনুমতি দিতে পারেন।


বিকল্প জ্বালানি উৎস সাড়া অনেক, তবে বিলম্বের শঙ্কা - দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিকল্প উৎস থেকে তেল-গ্যাস আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। শুরুতে সরবরাহকারী অনেক প্রতিষ্ঠানই আগ্রহ দেখালেও এখন পর্যন্ত নিশ্চিত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি মিলেছে খুব কম। একই ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি খাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রেও। ফলে আগামী দিনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা কাটছে না।
 

 

 

বাংলাদেশে তেল-গ্যাস আমদানিতে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা বেশি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে আমদানি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই দুই খাতেই বিকল্প উৎস খোঁজার চেষ্টা শুরু হয়। তবে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অন্য দেশগুলোও একই চেষ্টা চালানোয় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশের জাহাজ জ্বালানি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনায় একের পর এক হামলার কারণে কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।


ঢাকার ৬৫ খাল পুনরুদ্ধারে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রয়োজন - দৈনিক বণিকবার্তায় প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বুক চিরে একসময় বয়ে যেত অসংখ্য খাল-জীবন, জীবিকা আর জলপ্রবাহের অনিবার্য সঙ্গী হয়ে। আজ সেগুলোর বেশির ভাগই হারিয়ে গেছে কংক্রিটের নিচে, স্মৃতির ভাঁজে আর কাগুজে মানচিত্রে। মগবাজার থেকে বাংলামোটর-শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বুড়িগঙ্গায় গিয়ে মিশেছিল পরীবাগ খাল। এটি কেবল জলপথই ছিল না, ছিল শহরের প্রাণপ্রবাহের অংশ।

 

এর সঙ্গে যুক্ত ছিল কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, গুলিস্তান, মতিঝিল ও পুরান ঢাকার অন্তত ৫০টি ছোট-বড় খাল। কিন্তু গত তিন দশকে দৃশ্যপট বদলে গেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দখল আর দূষণের কারণে এসব খাল আজ প্রায় অদৃশ্য। কোথাও সেগুলো পরিণত হয়েছে নর্দমায়, আবার কোথাও ভরাট করে গড়ে উঠেছে স্থাপনা।


দেশ জুড়ে বেপরোয়া কিশোর গ্যাং - দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতার সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও খুনসহ নানা অপরাধ বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং গ্রেফতারও বাড়ছে। শহর ছাড়িয়ে গ্রামেও কিশোর অপরাধ মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে।


 

 


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েক বছর আগেও কিশোরদের মধ্যে এমন নৃশংস অপরাধ প্রবণতা ছিল কম। কিন্তু প্রযুক্তির বিস্তার, স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার ঘটেছে। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরাও অসহায় হয়ে পড়েছেন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে হত্যার ঘটনাও ঘটছে। কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে, যা নতুন করে আইন সংশোধনের দাবি জোরালো করেছে। বয়স কম হওয়ার কারণে অপরাধীরা নমনীয় আচরণ পেলে আরো অপরাধ করতে উত্সাহী হয়ে উঠতে পারে।


ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপনাই দুর্ঘটনার কারণ - দৈনিক মানবজমিনের শেষের পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটগুলো দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই সচল রয়েছে। প্রত্যেকটি ফেরিঘাটের সংযোগ রাস্তা অধিক ঢালের পাশাপাশি খানাখন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া প্রত্যেকটি পন্টুনে উচ্চতর রেলিং না থাকায় প্রতিনিয়তই ঝুঁকির মধ্যদিয়ে ফেরিগুলোতে যানবাহন লোড-আনলোড করা হচ্ছে।

 

 


এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ বুধবার বিকালে দৌলতদিয়ার ৩ নং ফেরিঘাটের পন্টুন ভেদ করে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে নিমজ্জিত হয়ে ২৬ যাত্রীর সলিল সমাধি হয়েছে। এ জন্য ঘাটের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তবে ঘাট কর্তৃপক্ষ সেটা মানতে নারাজ।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন