বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে সংকটে পড়বে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।
সূত্র জানায়, ফ্লাইট বাতিল আর ভিসা প্রসেসিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক দিনে আটকে পড়েছেন শত শত রেমিট্যান্স যোদ্ধা। সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে অনেকেরই কর্মস্থলে যোগ দেয়া কিংবা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবীর বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি দেশের জ্বালানি তেল আমদানির প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্য। তাই দ্রব্যমূল্যের ওপর পড়তে পারে এর নেতিবাচক প্রভাব।
আরও পড়ুন: ইরানের ৫০০’র বেশি জায়গায় হামলা, নিহত প্রায় ৮০০
এছাড়া বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্সের বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শ্রমিক পাঠানো যেমন বাধাগ্রস্ত হবে, তেমনি বিদ্যমান শ্রমিকদের চাকরিও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে মনে করেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
আরও পড়ুন: আল জাজিরার এক্সপ্লেইনার / ইরান যুদ্ধে কী কী অস্ত্র ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র, খরচ কত?
বিশেষজ্ঞরা বলনে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট কেবল একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। অতিনির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প শ্রমবাজার ও জ্বালানি উৎস না খুঁজলে আগামীতে হয়তো আরও বড় মূল্য দিতে হতে পারে দেশকে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·