আইআরসিজি বলেছে, ‘ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তাদের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা না হওয়া পর্যন্ত’ এই অঞ্চলের সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় ইরানের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন:ইসরাইলে দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইয়েমেন
গার্ডের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ফার্স নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, সোমবার, ৩০ মার্চ দুপুর ১২টার মধ্যে ওয়াশিংটন যদি এই বোমা হামলার আনুষ্ঠানিক নিন্দা না জানায়, তবে এই অঞ্চলের মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
‘আমরা এই অঞ্চলের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সকল কর্মচারী, অধ্যাপক ও শিক্ষার্থী এবং তাদের পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের ক্যাম্পাস থেকে এক কিলোমিটার দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। জানিয়েছে আইআরজিসি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের শাখা রয়েছে, যার মধ্যে কাতারের টেক্সাস এএন্ডএম বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম।
আরও পড়ুন:সৌদির বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ১২ মার্কিন সেনা আহত
সপ্তাহব্যাপী মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু ইসলামী প্রজাতন্ত্রটি এখনও ইসরাইলি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাতে সক্ষম হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·