এই স্থানটি এক সময় বনু হাশিম গোত্রের এলাকা ছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, এটি ছিল আব্দুল মুত্তালিবের বাড়ি, পরবর্তীতে নবীজির পিতা আবদুল্লাহ উত্তরাধিকার সূত্রে পান। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল, সোমবারের সেই সুবহে সাদিকে মা আমিনার কোল আলো করে এখানেই ভূমিষ্ঠ হন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা.।
সময়ের আবর্তে এই বাড়ির রূপ বদলেছে। এক সময় এখানে একটি ছোট মসজিদ ছিল। পরবর্তীতে ১৯৫১ সালে মক্কার তৎকালীন মেয়র আব্বাস কাত্বান এই স্থানটিকে একটি গণপাঠাগারে রূপান্তর করেন, যাতে করে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব সংরক্ষিত থাকে। মানুষ এখান থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। আজ এটি মক্কা লাইব্রেরি নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: হিজরত শেষে নবীজি শোকরানার সিজদাহ করেন যেখানে
সৌদি সরকার এই স্থানটিকে অত্যন্ত সাদামাটাভাবে সংরক্ষণ করেছে। এখানে কোনো আড়ম্বর নেই, নেই কোনো বিশেষ ইবাদতের নিয়ম। এটি কেবলই একটি ইতিহাসের স্মারক। প্রতিদিন হাজারো হাজি ও দর্শনার্থী মসজিদুল হারামে আসার পথে এক পলক এই ভবনের দিকে তাকান, নবীজির শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো কল্পনা করেন।
মক্কা লাইব্রেরির ইটের দেয়াল হয়তো বদলেছে, কিন্তু এই মাটির পরশে আজও যেন সেই নববী ঘ্রাণ মিশে আছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই পুণ্যভূমি স্বচক্ষে দেখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

৩ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·