ভোলার চরফ্যাসনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু

১ দিন আগে
‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ভোলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের দেশব্যাপী উদ্বোধন করার পর ভোলার চরফ্যাসন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় পর্যায়ে কার্ড বিতরণ করা হয়।

দেশের ১৪টি উপজেলার সাথে পরীক্ষামূলকভাবে দ্বীপজেলা ভোলার চরফ্যাসনের ২৮৮টি পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। চরফ্যাসন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে কার্ড তুলে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।


উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ের এই পরীক্ষামূলক প্রকল্পে আসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় সাড়ে ৪শ’ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে ২৮৮টি পরিবারকে চূড়ান্তভাবে সুবিধাভোগী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। উদ্বোধনী দিনে ২৩৩ জন সুবিধাভোগী তাদের ফ্যামিলি কার্ডের বিপরীতে অর্থ সহায়তা পেয়েছেন।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. এমাদুল হোসেন বলেন, 'উদ্বোধনী দিনে ২৩৩ জন টাকা পেয়েছেন। বাকিরা পর্যায়ক্রমে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যাবেন।'


রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এই সহায়তা পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। কার্ড পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নারী হাজেরা বেগম। তিনি বলেন, রমজানের শেষ সময় আর ঈদের আগে এই কার্ড পাওয়ায় আমাদের জন্য বাড়তি আনন্দ যোগ হয়েছে।


আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


অন্য এক সুবিধাভোগী আরজু বেগম জানান, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী বাজারে সরকারের এই সহায়তা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ভার কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।


ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শেষে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, 'দেশের ১৪টি উপজেলার সাথে চরফ্যাসনকে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করায় আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। এই ফ্যামিলি কার্ড পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নে আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করবে।' তিনি চরফ্যাসনের সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ্ কাউছার এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন