দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।
ভোটের ব্যয় ৩ হাজার কোটি- দৈনিক যুগান্তরের প্রধান সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে সরকারের ব্যয়ের অঙ্ক ছুঁয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। যার এক-তৃতীয়াংশ জোগান দেওয়া হবে চলতি বাজেটের ‘অপ্রত্যাশিত’ খাত থেকে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই সঙ্গে হওয়ায় বাজেটে যে বরাদ্দ রাখা ছিল, সে তুলনায় আরও অর্থের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
ফলে অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা মেটাতে অপ্রত্যাশিত খাতে রাখা ৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
শিক্ষাসামগ্রীর দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশ - দৈনিক সমকালে প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর ঘুরতেই বই, খাতা, কলম, পেন্সিল, স্কুল ব্যাগসহ শিক্ষাসামগ্রীর দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। গত বছরের প্রথম দিকে যেসব মাঝারি মানের পেন্সিল ডজন ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এবার তা কিনতে লাগছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। সাধারণ মানের ৫০০ টাকার একটি স্কুল ব্যাগ কিনতে এবার গুনতে হচ্ছে ৮০০ টাকার ওপরে। বইয়ের দামও পড়ছে আগের চেয়ে বেশি। সন্তানের জন্য শিক্ষাসামগ্রী কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপে পড়ছেন অভিভাবকরা।
এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজন। ২০২৫ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) এক সমীক্ষায় বলা হয়, শিক্ষা খাতে বাড়তি খরচের কারণে সন্তানদের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে ঋণ নিতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে। দৈনন্দিন প্রয়োজনও কমাতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
স্থানান্তরিত ভোটার নিয়ে বিতর্ক - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংসদীয় আসনগুলোতে অসংখ্য ভোটার নিজেদের ঠিকানা বদলে স্থানান্তর করেছেন এক আসন থেকে অন্য আসনে। এ নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড। যত বিতর্ক। রাজনৈতিক অঙ্গনেও চলছে নানা আলোচনা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ঢাকার ২০টি আসনেই ৪০ হাজারের মতো ভোটার ঠিকানা বদলেছেন। এরই মধ্যে বিএনপি অভিযোগ জানিয়েছে, একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের প্রার্থীদের জেতাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোটার স্থানান্তর করেছে। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ১৮ই জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।
বাগযুদ্ধের পারদ চড়ছে - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরজায় কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সারা দেশে চলছে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর তুমুল প্রচারণা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক নেতারা ততই বাগ্যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন। ভোটারদের নিজেদের পক্ষে ভেড়াতে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিন থেকেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের নীতি, কৌশল ও অতীত কর্মকাণ্ডকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বৈতরণি পার হওয়ার চেষ্টা করছে।
স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ, ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে শুরু করে স্থানীয় ইস্যুও বাগ্যুদ্ধে স্থান পাচ্ছে। দলগুলোর নেতারা এসব ইস্যুতে একে অপরকে কঠোর সমালোচনা করছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যেই সবচেয়ে বেশি বাগ্যুদ্ধ চলতে দেখা যাচ্ছে।
বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে উভয়সংকটে সরকার - দৈনিক আজকের পত্রিকার খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ নিয়ে উভয়সংকটে পড়েছে সরকার। দেশীয় তৈরি পোশাকমালিকদের প্রতিবাদের মুখে এই সংকট তৈরি হয়েছে। বিদেশি সুতা আমদানিকে কেন্দ্র করে সুতা উৎপাদনকারী দেশীয় টেক্সটাইল মিল এবং বিদেশে তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব তুঙ্গে উঠেছে।
অবস্থা এমন পর্যায়ে যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকার হস্তক্ষেপ না করলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের সব মিল বন্ধ রাখা হবে।

৪ সপ্তাহ আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·