দেখে নিন যা করবেন-
১. প্রথমেই শান্ত থাকুন: ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা সৃষ্টি করলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। ধৈর্য ধরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলুন। মনে রাখবেন, আপনার ভোটাধিকার আইনগতভাবে সুরক্ষিত।
২. প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলুন: কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার বা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার স্লিপ দেখান এবং লিখিতভাবে অভিযোগ জানানোর ইচ্ছা প্রকাশ করুন।
৩. ‘টেন্ডার্ড ভোট’-এর সুযোগ চাইতে পারেন: নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, যদি দেখা যায় কারও নামে আগে ভোট দেয়া হয়েছে, তবে প্রকৃত ভোটারকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় একটি টেন্ডার্ড ব্যালট দেয়ার সুযোগ থাকতে পারে। এই ভোট আলাদা খামে সংরক্ষণ করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে গণনায় যোগ হয় না; পরবর্তীতে তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাই এই অধিকারটি দাবি করতে ভুলবেন না।
আরও পড়ুন: কীভাবে চিহ্নিত হয় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, ঢাকায় কতটি?
৪. লিখিত অভিযোগ দিন: প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিন। নিজের কপি সংরক্ষণ করুন। সম্ভব হলে ঘটনার সময়, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নাম ও সাক্ষীর তথ্য নোট করুন।
৫. নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ: পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত হটলাইন/অফিসে অভিযোগ জানাতে পারেন। বর্তমানে অনেক দেশে অনলাইনেও অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকে। অভিযোগে সময়, কেন্দ্রের নাম, বুথ নম্বর ইত্যাদি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন।
৬. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা: কেন্দ্রে যদি জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ বা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়, তাহলে সেখানে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিষয়টি অবহিত করুন।
আরও পড়ুন: জাল ভোট দিলে যেসব শাস্তি হতে পারে
কেন এমন হতে পারে?
১. ভোটার তালিকায় ভুল বা তথ্যগত ত্রুটি
২. পরিচয় যাচাইয়ে গাফিলতি
৩. জাল ভোট প্রদান
৪. প্রশাসনিক ভুল
তবে যেকোনো অভিযোগ তথ্যভিত্তিক ও প্রক্রিয়াগতভাবে উত্থাপন করাই উত্তম।
]]>
১ মাস আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·