গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীর পক্ষে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও ডিডিও মো. আবু ছায়িদ চৌধুরীর সই করা এক চিঠি থেকে এ বরাদ্দের বিষয়টি জানা যায়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৫ জানুয়ারির স্মারক মোতাবেক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার কাজ দ্রুত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফথরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের সভাপতি করে কমিটি গঠনপূর্বক বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ অবস্থায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের পরিচালন বাজেটের আওতায় ৬ কোটি ৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ৯৪৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভোটকেন্দ্র মেরামত ও সংস্কার কাজের ব্যয় নির্বাহের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর ব্যয় মঞ্জুরিসহ বরাদ্দ ও সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যয় করার কর্তৃত্ব দেয়া হলো।
এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে বরাদ্দের অর্থে সুষ্ঠুভাবে বণ্টনে দুটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। উপজেলা পর্যায়ে কমিটির সভাপতি হবেন ইউএনও এবং সদস্যসচিব প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক)। কমিটিতে দুজন সদস্য থাকবেন। সদস্যরা হলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ব্যাংকাররা ভোট দেবেন যেভাবে
অন্যদিকে, সিটি করপোরেশন এলাকায় এ কমিটির সভাপতি হবেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট জেলা বা মেট্রোর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সদস্য সচিব প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক)। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন মেট্রোপলিটন থানা/উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট থানার উপ-সহকারী প্রকৌশলী।
বরাদ্দ অর্থ ব্যয়ে মানতে হবে যেসব শর্ত
- অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
- নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভোটকেন্দ্র মেরামত ও সংরক্ষণ কাজ সম্পাদন করতে হবে।
- তালিকাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
- ছাড়কৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
- ছাড়কৃত অর্থ ব্যয় বা বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম উদঘাটন হলে, ব্যয় নির্বাহকারী কর্তৃপক্ষ দায়ি থাকবে।
- বরাদ্দ অর্থ থেকে পূর্ববর্তী বছরের বকেয়া পরিশোধ করা যাবে।
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের তালিকাভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ভোটকেন্দ্র মেরামত খাতে এই অর্থ ব্যয় করতে হবে।
বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন
]]>
২২ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·