সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুহিলপুরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সাতজন অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্বদেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিজা খাতুন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাখরাবাদ গ্যাস ড্রিস্টিবিউশন কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মো. শফিকুল হক।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরো পাইপ লাইনে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকার সুযোগে অসাধু চক্র সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অবৈধভাবে বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এমন খবর পেয়ে সুহিলপুর কলামুড়ি গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাখরাবাদ গ্যাস ড্রিস্টিবিউশন কোম্পানির লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে তিন কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
অভিযানকালে ৬০০ ফুট অবৈধ গ্যাস লাইন উচ্ছেদ, ৪৫টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সাতজন অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান সম্পর্কে বাখরাবাদ গ্যাস ড্রিস্টিবিউশন কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মো. শফিকুল হক জানান, অবৈধ গ্যাস লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কিছুদিনের মধ্যে আবারও কিছু অসাধু চক্র নতুন করে অবৈধ সংযোগ দেয়। এর ফলে সম্পূর্ণভাবে অবৈধ সংযোগ বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·