শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত এই রাজস্ব আয় হয়।
রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন বেনাপোল রুটে বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারী যাতায়াতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় মানিচেঞ্জার ব্যবসায়ীদের তথ্য মতে, রোববার বাংলাদেশি ১০০ টাকার বিনিময়ে মিলেছে ৭৪ রুপি এবং ভারতীয় ১০০ টাকায় বাংলাদেশি টাকা পাওয়া গেছে ১৩৩ টাকা। প্রতি ইউএস ডলারের ক্রয় মূল্য ছিল ১২৫ টাকা এবং বিক্রয় মূল্য ১২৬ টাকা।
আরও পড়ুন: অবকাঠামো সংকটে খুলনা নদীবন্দর, অর্ধেকে নেমেছে পণ্য খালাস
বন্দরের তথ্য মতে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেনাপোল ও পেট্রাপোল মধ্যে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়। এদিন দিনভর ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ২৪০ ট্রাক পণ্য। আমদানি পণ্যের মধ্যে ছিল শিল্প কলকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিকেল, শিশু খাদ্য, মেশেনারিজ দ্রব্য, অক্সিজেন, বিভিন্ন প্রকারে ফল, চাল, পেঁয়াজ, মাছসহ বিভিন্ন পণ্য। বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানি বাণিজ্য হয়েছে ৭৪ ট্রাক পণ্য। এসব পণ্যে মধ্যে উল্লেখ্য ছিল, বসুন্ধরা টিসু, মেলামাইন, কেমিকেল মাছ ও ওয়ালটন পণ্যসামগ্রী।
এ বিষয়ে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের দফতর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জেহা সেলিম জানান, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ট্রাক পণ্যের বাণিজ্য হতো। তবে ৫ আগস্টের পর দুই দেশের একের পর এক বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞায় আমদানি-রফতানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত অর্ধেকের নিচে কমে এসেছে।
গত এক বছর ধরে বন্ধ দুই দেশের বাণিজ্য বৈঠক। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরাই বড় ধরনের বিড়ম্বনা ও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে গত বছরে তার আগের বছরের চেয়ে প্রায় দুই লাখ টন আমদানি কমেছে। বাণিজ্যের পরিবেশ ফেরাতে সরকারের পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস: লক্ষ্য অর্জনে সাত মাসে দরকার ৭০৬৯৩ কোটি টাকা
ইমিগ্রেশন তথ্য জানান, ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে শুরু হয় পাসপোর্টধারী যাতায়াত। শনিবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে মোট যাতায়াত করেছে ১২৬৮ জন। এদের মধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে গেছে ৫৭৪ জন। ভারতে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ছিল ৪০২ জন, ভারতীয় ১৭০ জন ও অন্যান্য দেশের দুজন। এ সময় ভারত থেকে ফিরেছে ৬৯৪ জন। ভারতফেরত যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ছিল ৫৭০ জন, ভারতীয় ১১১ জন। অন্যান্য দেশের ছিল ১১ জন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর ভিসা জটিলতায় পাসপোর্টধারী যাতায়াত কমে যায়।
এ দিকে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান জানান, রেলপথে এসিআই মটরস নামে আমদানিকারকের কেবল ভারত থেকে ট্রাক্টর আমদানি হয়। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে রেলে অন্যান্য পণ্যের আমদানি এবং ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ঢাকা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·