স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যানাসুরে, বীরভূমের নানুরে ভোট-পরবর্তী সংঘাতে এক তৃণমূলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। মৃতের নাম আবির শেখ।
পরিবারের অভিযোগ, আবিরকে রাস্তায় একা পেয়ে বিজেপিকর্মীরা ঘিরে ধরে তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।
অন্যদিকে, হাওড়ার উদয়নারায়নপুরে বিজেপির সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, মৃতের নাম যাদব বর (৪৮)।
তার পরিবারের অভিযোগ, যাদব বিজেপি সমর্থক। ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই অন্যদের সঙ্গে আনন্দে মেতেছিলেন তিনি। বেরিয়েছিলেন মিছিলেও। রাত ১১টা নাগাদ বাড়ির অদূরে যাদবকে তুলে নিয়ে যান কয়েকজন। তারপর তাকে মারধর এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে যাদবকে উদ্ধার করে উদয়নারায়ণপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ হত্যাকাণ্ডে তৃণমূল জড়িত বলেই অভিযোগ।
আরও পড়ুন: আমি নির্বাচনে হারিনি, পদত্যাগ করব না: মমতা
এছাড়াও রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কৃষ্ণনগরের বাদকুল্লা মোড় এলাকা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয় দখল করে সেখানে বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দেয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।
শুধু দখলই নয়, কার্যালয়ের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং শেষে আগুন লাগিয়ে দেয়ারও অভিযোগ মিলেছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি-আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ঘটনার সময় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যদিও এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের ফুলতলা দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সীতাকুণ্ড মোড়ে অবস্থিত ওই কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে সেখানে বিজেপির দলীয় পতাকা টাঙিয়ে দেয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।
সূত্র: আনন্দবাজার
]]>

২২ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·