মেলা চলাকালীন তিনি ইউরোপ ও আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ডিজাইন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বাংলাদেশের তরুণ ডিজাইনারদের সৃজনশীলতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত জুলকার নাইন বলেন, বাংলাদেশের ডিজাইনাররা এখন অনেক বেশি সচেতন। বিশেষ করে ভিন্ন ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ক্রেতাদের রুচি এবং ঋতুভেদে রঙের বৈচিত্র্য বুঝে নকশা তৈরিতে তারা মুনশিয়ানার পরিচয় দিচ্ছেন। টেকসই উপায়ে ক্লায়েন্টদের সন্তুষ্টি অর্জনে বাংলাদেশের এই তরুণরা এখন বিশ্বমানের।
বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ও তরুণ ডিজাইনারদের শক্তিশালী উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত জুলকার নাইন বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব (পার্টনারশিপ) গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বিদেশি কোম্পানিগুলো যদি বাংলাদেশে লিয়াজোঁ বা শাখা অফিস খুলতে চায়, তবে দূতাবাস থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে।
আরও পড়ুন:মঈন খানের বাসায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ ৭ দেশের রাষ্ট্রদূতের নৈশভোজ
মেলায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এর মধ্যে দেয়াল সজ্জার ক্ষেত্রে জার্মানির এরফুর্ট অ্যান্ড সোহন, কোমার প্রোডাক্টস এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ালকুয়েস্ট ও ইয়র্ক ওয়ালকভারিংস উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া জানালা ও অভ্যন্তরীণ সজ্জার জন্য নেদারল্যান্ডসের ফরেস্ট গ্রুপ, ফ্রান্সের লিন্ডার এবং তুরস্কের তানরিভারদি মেনসুসাতের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
ডেকোটিম-এর অন্তর্ভুক্ত আলফ্রেড অ্যাপেল্ট, হোপকে মোবেলস্টফ এবং পাউলিগ টেপিখওয়েবেরেই-এর মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কথা বলেন।
]]>
১ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·