বিশ্বকাপে শূন্যের হ্যাটট্রিক করা অভিষেককে যে পরামর্শ দিলেন গাভাস্কার

২ সপ্তাহ আগে
অভিষেক শর্মা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিলেন র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার হিসেবে। ভাবা হচ্ছিল, তিনিই হবে বিশ্বকাপে ভারতের ধ্বংসযজ্ঞের নায়ক। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। আসরে তিন ম্যাচ খেলে ফেললেও এখনও রানের খাতাই খুলতে পারেননি অভিষেক। গ্রুপ পর্বে ভারতের মিশন সাফল্যমণ্ডিত হলেও এই বিস্ফোরক ওপেনারের অনুজ্জ্বল পারফরম্যান্স চুলচেরা বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের পরবর্তী ম্যাচ। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অভিষেকের হাতে সময় খুবই সীমিত। ব্যাটিং কিংবদন্তি সুনিল গাভাস্কার মনে করেন, অভিষেককে ‘প্রত্যাশার চাপ’ ভুলে গিয়ে বড় শট খেলতে যাওয়ার আগে উইকেটে কিছুটা সময় কাটাতে হবে। তিন ম্যাচ মিলিয়ে তিনি মোটে আট বল ক্রিজে টিকে ছিলেন।


গাভাস্কার স্টার স্পোর্টসে বলেন, ‘হয়তো প্রত্যাশার চাপ ওর ওপর একটু বেশিই পড়ছে। সে দারুণ ছেলে। প্রথম ম্যাচে যদি উড়ন্ত সূচনা পেত, তাহলে চিত্রটা আলাদা হতে পারত। কিন্তু এখন বোঝা যাচ্ছে, বড় হিটার, দলের এক নম্বর ব্যাটার—এই পরিচয়ের চাপ হয়তো তাকে ভোগাচ্ছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘তার শটের পরিসর এত ভালো যে, তাকে একটু বেশি সময় ক্রিজে থাকতে হবে। ইনিংস শুরুতেই বাউন্ডারি বা ছক্কা মারার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ার দরকার নেই। যদি আসে, ভালো; কিন্তু লাইন পেরিয়ে বড় শট খেলতে যাওয়ার তাড়া না থাকাই ভালো। চারটা ডট বল হলেও সমস্যা নেই, কারণ পরের চার থেকে আট বলেই সে পুষিয়ে দিতে পারে।’

 

আরও পড়ুন: আমাদের সিনিয়ররা বিশ্বকাপে কখনো ভারতকে হারাতে পারেননি: শাদাবের খোঁচা


গাভাস্কার অভিষেককে ‘স্মার্ট ক্রিকেট’ খেলার পরামর্শ দিয়েছেন এবং পূর্বনির্ধারিত প্রত্যাশার বোঝা না টানতে বলেছেন।


তার ভাষায়, ‘ওকে বুদ্ধিদীপ্ত ক্রিকেট খেলতে হবে। পায়ে চলাচল আনতে হবে, প্রথম রানটা নিতে হবে। ভারতের হয়ে খেললে আগে স্কোরবোর্ডে নাম তুলতে হবে, এরপর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। যেভাবে সে আউট হচ্ছে, সেটা বেশ অনুমেয়। মানসিকতা এমন যে, ‘আমাকে ২০০ স্ট্রাইক-রেটের ব্যাটার হিসেবে দেখা হয়, আমাকে সেটা প্রমাণ করতে হবে।’ কিন্তু সেটা জরুরি নয়। দুটো সিঙ্গেল নিলেই পিচ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। সেট হয়ে গেলে সে বড় ইনিংস খেলবেই।’

 

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় হতাশ হেইডেন


সাম্প্রতিক আউটের মাধ্যমে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পাঁচটি ডাক হয়ে গেছে, যা তাকে এক ক্যালেন্ডার বছরে ওপেনারদের মধ্যে সর্বাধিক ডাকের তালিকায় জায়গা দিয়েছে।


এই অনাকাঙ্ক্ষিত তালিকায় আছেন পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও, যিনি ২০২৫ সালে ছয়টি ডাক মেরেছিলেন।
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন