রোববার (৪ জানুয়ারি) সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ (শুরায়ী নেজাম)-এর মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান।
তিনি বলেন, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামে ইজতেমা ময়দানে। দোয়ায় অংশ নেন প্রায় ৭২টি দেশ থেকে ২৫০০ বিদেশি মেহমান এবং বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ফজরের পর পাকিস্তানের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা উবায়দুল্লাহ খুরশিদ যারা আল্লাহর রাস্তায় বের হচ্ছেন তাদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
হেদায়েতের বয়ানের পরে দোয়া শুরু হয়। সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে দোয়া শুরু হয়ে ৮টা ৪৪ মিনিটে শেষ হয়। ‘আমিন… আমিন…’ধ্বনিতে কম্পিত হতে থাকে টঙ্গী ময়দান। দোয়ায় কান্নার রোল পড়ে যায়। দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের।
তিনি আর বলেন, সাদপন্থিরা টঙ্গী মাঠে কোনো জোড় বা ইজতেমা করবে না এ শর্ত পূরণসাপেক্ষে গত বছর ইজতেমা করেন। যা প্রশাসনসহ সবাই অবগত রয়েছেন। তারপরও তারা এ বছর একটি অযৌক্তিক দাবি দিয়ে, ইজতেমা করতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইজতেমা মাঠে সমাবেশ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে পরে সীমিত পরিসরে খুরুজের জোড়ের অনুমতি দেয় সরকার।
এদিকে নির্বাচনের পরে ৫৯তম টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৮








Bengali (BD) ·
English (US) ·