শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে এনইআইআর সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আগারগাঁও এলাকায় বিটিআরসি ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা জড়ো হন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভবনের কাচের দেয়ালসহ বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালান। এ সময় ভবনের সামনে পার্ক করা বিটিআরসির একটি এসি স্টাফ বাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব মিলিয়ে সম্পদ ও যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি ১ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: বছরের শুরুতেই মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর সিস্টেম চালুর বিরোধিতা করে আসছিল। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিক বৈঠক সত্ত্বেও ১ জানুয়ারি থেকে অবৈধ ও আন-অফিশিয়াল হ্যান্ডসেট বন্ধে এই সিস্টেমটি কার্যকর করা হয়। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সড়ক অবরোধ করেন এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করে নাশকতায় লিপ্ত হন।
ঘটনাস্থল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৪৫ জনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা আরও ১০ জন পলাতক আসামির নাম প্রকাশ করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অজ্ঞাত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

২ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·