গেল সোমবার (১২ জানুয়ারি) দ্য গার্ডিয়ানের কাছে পাঠানো বার্তায় তিনজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, হাসপাতাল ও জরুরি বিভাগগুলো গুলিবিদ্ধ বিক্ষোভকারীতে উপচে পড়ছে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, গুলির আঘাত মূলত বিক্ষোভকারীদের চোখ ও মাথায় দেখা গেছে। ২০২২ সালের ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ আন্দোলনের সময়ও একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো দাবি করছে।
তেহরানের একজন চিকিৎসকের দাবি, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে মাথা ও চোখ লক্ষ্য করে গুলি করছে। তারা মাথা ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়, যাতে মানুষ আর দেখতে না পারে। ২০২২ সালেও তারা ঠিক এটাই করেছিল।’
আরও পড়ুন: কাতারের ঘাঁটি থেকে হঠাৎ সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কারণ কী
বহু রোগীর চোখ অপসারণ করতে হয়েছে এবং তারা স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন বলেও জানান ওই চিকিৎসক।
দেশের মুদ্রার আকস্মিক দরপতনের প্রতিবাদে ইরানে চলমান বিক্ষোভ শুরু হয় গত ২৮ ডিসেম্বর। এরপর এটি বড় সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
এই বিক্ষোভে ঠেকাতে গত বৃহস্পতিবার রাতে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফলে ইরানের জনগণ কার্যত বাইরের বিশ্বের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার সুযোগ নিয়ে সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নির্মম দমন অভিযান চালাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)-এর দাবি, আন্দোলনে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের ৯০ শতাংশের বেশি বিক্ষোভকারী। একই সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত ১৬ হাজার ৭০০ জনকে।
আরও পড়ুন: ইরানে বিক্ষোভে অংশ নেয়ায় মৃত্যুদণ্ড /পরিবারকে বিদায় জানাতে ১০ মিনিট সময় পান এরফান
নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·