রশিদ খান গত দুই আইপিএল মৌসুমে তুলনামূলকভাবে নীরব সময় পার করেছেন। এ সময়ে ২৭ ম্যাচে তিনি নিয়েছেন মাত্র ১৯ উইকেট, যা ২০২৩ মৌসুমের সঙ্গে স্পষ্টভাবে বৈপরীত্য, সেবার ১৭ ম্যাচে তার শিকার ছিল ২৭ উইকেট।
সাক্ষাৎকারে রশিদ বলেন, আইপিএলসহ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বোলাররা এখন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে, কারণ ব্যাটাররা দ্রুত নিজেদের উন্নত করেছে। এই পরিবর্তনই তাকে নতুন ভ্যারিয়েশন নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
তিনি বলেন, 'আমি এমন কিছু বিষয় নিয়ে ভাবি, যা এখনো ম্যাচে ব্যবহার করিনি। লেগ-স্পিন আছে, গুগলি আছে, কিন্তু কিছু ভ্যারিয়েশন আছে যেগুলো এখনো ব্যবহার করিনি, কারণ সেগুলোর ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ পাইনি, বিশেষ করে আইপিএলের মতো উচ্চচাপের টুর্নামেন্টে।'
আরও পড়ুন: শুধু জাতীয় দল নয়, বিসিবির আওতাধীন বিভিন্ন স্কোয়াডের সঙ্গে কাজ করবেন রফিক
তিনি আরও যোগ করেন, 'এখানে নতুন কিছু চেষ্টা করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এসব আমি মূলত ওয়ানডে ম্যাচে অনুশীলন করি, যেখানে লম্বা স্পেল বল করার সুযোগ থাকে।'
নতুন ভ্যারিয়েশন প্রসঙ্গে রশিদ জানান, লেগ-স্পিনারের জন্য মৌলিকভাবে খুব বেশি অপশন নেই। বরং তার লক্ষ্য হলো বিভ্রম বাড়ানো, যাতে লেগ-স্পিন ও গুগলি দুটোই ব্যাটারের কাছে একইরকম দেখায়।
রশিদ বলেন, 'আমি নিজের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করি, অ্যানালিস্টদের সঙ্গে আলোচনা করি কীভাবে পেস, রিলিজ বা অন্য কিছু দিয়ে ব্যাটারকে আরও বিপাকে ফেলা যায়। আমি কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করছি, আশা করি শিগগিরই ম্যাচে প্রয়োগ করতে পারব।'
তিনি আরও বলেন, 'এটা খুব বড় কিছু নয়। আসলে লেগ-স্পিন বা গুগলিই করতে হয়। পার্থক্যটা খুব সূক্ষ্ম জায়গায়: গ্রিপ, অ্যাকশন, রিলিজ; সবকিছু যেন একইরকম দেখায়, সেটাই আমি গত এক বছর ধরে উন্নত করার চেষ্টা করছি।'
আরও পড়ুন: আউট হয়ে যাওয়ায় পাডিকাল কেন খুশি
রশিদের ধীরগতির শুরু গুজরাটের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলেছে। প্রথম ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে তারা প্রায় হেরে যাচ্ছিল, এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে শেষ বলে হারে।
আগামী বুধবার (৮ এপ্রিল) অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে মাঠে নামবে গুজরাট টাইটান্স।
]]>

৬ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·