মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির প্রথম দিন, বুধবার (৮ এপ্রিল) শ্রীফা গ্রামে সাঈদ পরিবারের বাড়িতে হামলাটি চালানো হয়। লেবাননের অনেকেই আশা করেছিলেন যে এই যুদ্ধবিরতি তাদের দেশেও প্রযোজ্য হবে। কিন্তু তার পরিবর্তে, ইসরাইলি হামলায় লেবাননজুড়ে ৩৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন এবং সাঈদ পরিবারের আরও চারজন আত্মীয়কে দাফন করতে হয়।
১২ এপ্রিল, অ্যালিনের ৬৪ বছর বয়সী দাদা নাসের সাঈদ—যিনি প্রাথমিক হামলা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন—সবুজ কাপড়ে মোড়ানো মৃতদেহগুলো সংগ্রহ করতে দক্ষিণের বন্দর নগরী টায়ারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে যোগ দেন।
আরও পড়ুন:ধ্বংসযজ্ঞ / লেবাননের বাড়িঘরে বিস্ফোরক লাগিয়ে গোটা গ্রাম নিশ্চিহ্ন করে দিলো ইসরাইল
তার মধ্যে সবচেয়ে ছোট কাপড়ে পোড়ানো মরদেহটি ছিল তার নাতনি তালিনের। অ্যালিনের বোন। তার বয়স তখনো দুই বছর হয়নি।
মাথায় ও ডান হাতে ব্যান্ডেজ এবং মুখে আঁচড়ের দাগ নিয়ে নাসের সেই মুহূর্তটির বর্ণনা দিলেন, ‘তারা বলেছিল যুদ্ধবিরতি হয়েছে। এই সমস্ত লোকের মতো আমরাও গ্রামে গেলাম। আমরা কফিনের কাছে দোয়া পড়তে ও বাড়ির দিকে হাঁটতে গেলাম… হঠাৎ আমাদের মনে হলো যেন একটা ঝড় সরাসরি আমাদের ওপর আছড়ে পড়ছে।’
মাথা, হাতে ব্যান্ডেজ এবং মুখে ক্ষত নিয়ে সাঈদ নীরবে শোক পালন করছিলেন, আর তার চারপাশের নারীরা আকাশের দিকে মুখ তুলে যন্ত্রণায় চিৎকার করছিল।
শ্রীফা গ্রামে সাঈদ পরিবারের বাড়িতে প্রথম হামলাটি হয়েছিল ৮ এপ্রিল—লেবাননের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ একটি দিন। সেদিন ইসরাইলি হামলায় লেবাননজুড়ে ৩৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন।
আরও পড়ুন:লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত অন্তত ২৪
এদিকে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে যে, ঘটনাটি তদন্ত করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য তাদের কাছে নেই এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলায় তারা বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি কমাতে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
সূত্র: প্রেস টিভি, রয়টার্স
]]>
২ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·