আটক জসিম মিয়া কমলপুর গাছতলাঘাট এলাকার মৃত শফিক মিস্ত্রির ছেলে আর মো. রনি মিয়া (৩২) কমলপুর (লোকাল বাসস্ট্যান্ড) এলাকার মৃত উসমান গনির ছেলে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী হারুন উর রশিদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে পুলিশ জানায়।
জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা মো. হারুনুর রশীদ (৪৮) বর্তমানে ভৈরব উপজেলার নিউটাউন এলাকার ভাই ভাই ভিলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। অভিযুক্ত মো. জসিম মিয়া ও মো. রনি মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তাদের সঙ্গে পূর্ব থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারের বিরোধ চলে আসছিল।
জসিম মিয়া বিভিন্ন সময় নিজেকে কখনো সাংবাদিক ও কখনো রাজনৈতিক কর্মী পরিচয় দিয়ে থাকেন এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মরিয়মকে মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন।
আরও পড়ুন: ‘মাদক বিক্রেতাকে’ ধরার সময় পুলিশকে গণপিটুনি, আটক ৩
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নিউটাউন এলাকার বাসা থেকে কৌশলে ডেকে নিচে নামানো হয় ভুক্তভোগী ও তার বাবাকে। পরে ভবনের সামনে এনে জসিম ও রনি মিলে তাদের মারধর করে জোরপূর্বক অটোরিকশায় তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ছাত্রীটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আটক দু’জনকে থানায় নিয়ে আসে।
ভুক্তভোগী হারুন উর রশিদ বলেন, ‘আশুগঞ্জ এলাকার একমহিলার আমার নামে একটি চেক জালিয়াতির মামলা করে আদালতে ওই মামলায় আমি জামিনে আছি। ওই ঘটনা সাংবাদিক পরিচয়ে জসিম আমার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। না পেয়ে বিএনপির নেতার নাম ভাঙিয়ে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে আমি বাধা দিলে আমাকে মারধর করে। পরে এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে।’
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিডিও ফুটেজ দেখে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় জসিম ও রনি নামে দুই জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি।’
আরও পড়ুন: দিঘলিয়ায় অস্ত্র-ককটেলসহ সন্ত্রাসী গ্রুপের ৭ সদস্য আটক
জসিমের বিরুদ্ধে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে সে আরও কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে কি না। এ ব্যাপারে আমরা একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·