সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার তেলিগাতি ইউনিয়নের বাসিন্দারা এই মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সাহাজান মাস্টার, হাফেজ মনিরুজ্জামান, মো. হানিফ দিহিদার, গোলাম রব্বানী, জসীম উদ্দিন, আব্দুল ছালাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, তেলিগাতি ইউনিয়নের কিছু প্রভাবশালী লোকজন চিংড়ি চাষ করার জন্য ইউনিয়নের মিস্ত্রিডাঙ্গা খাল ও দেবরাজ খালসহ কয়েকটি সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়েছে। হরগাতি ও হেড়মা বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে থাকা স্লুইস গেট থেকে লবণ পানি প্রবেশ করিয়ে ধানের ক্ষতি করাচ্ছে। মাছ চাষিরা তাদের প্রয়োজনে ইচ্ছে মত স্লুইস গেট ব্যবহার করছে। বিষয়টি বারবার প্রশাসনকে জানানোর পরেও অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেনি। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে অবৈধ বাঁধ অপসারণ না করলে এলাকার হাজার হাজার একর জমিতে ধান হবে না।
এলাকার চাষিদের বাঁচাতে যেকোনো মূল্যে সরকারি খালে থাকা বাঁধ অপসারণ ও স্লুইস গেট চাষিদের স্বার্থে ব্যবহারের দাবি জানান কৃষকরা।
আরও পড়ুন: লবণ মাঠে কালবৈশাখীর তাণ্ডব চাষিদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. সাহাজান বলেন, ‘এলাকায় অবৈধভাবে অনেকগুলা খালে বাঁধ দিয়ে রেখেছে, যার ফলে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে কালুর বাজারের পাশের খাল অবৈধভাবে দখল করে ঘের করতেছে। বৃষ্টির পানিতে রাস্তা জলাবদ্ধ হয়ে থাকে, এতে মানুষ চলাফেরা করতে পারে না।’
স্থানীয় গোলাম রব্বানী বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে আমাদের চাওয়া, আমরা যেন ইউনিয়নের মাঠগুলোতে সঠিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। কারও চিংড়ি চাষের জন্য আমাদের ধান চাষ যেন ক্ষতির মধ্যে না পড়ে।’
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘তেলিগাতি ইউনিয়নে বেশকিছু খাল অবৈধভাবে দখল করেছে কিছু অসাধু মানুষ। আমরা খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করে দখলমুক্ত করার চেষ্টা করছি। এছাড়া জমির মালিক ও চাষিরা নিজেদের মতো করে ধান চাষ করতে পারে, সে জন্য স্লুইসগেটগুলোও নিয়ন্ত্রণ করা হবে।’

২ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·