বাগেরহাটে বাড়িতে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা

২ সপ্তাহ আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত কলেজছাত্র আমির হামজার (২৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নিজ বাড়িতে ঢুকে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী।

নিহত আমির হামজা শিবপুর গ্রামের রুহুল আমিন মুন্সির ছেলে এবং খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সপরিবার খুলনায় থাকতেন, তবে সম্প্রতি ঢাকাতেও অবস্থান করতেন। ঈদের ছুটিতে চাচার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আমির হামজা খুলনার একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে রূপসার আব্দুল বাছেদ বিকুল হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি ইতিপূর্বে কয়েকবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।


হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের ছোট ভাই আরমান মুন্সি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের খুলনায় ফেরার কথা ছিল। হঠাৎ গামছা বিক্রেতার ছদ্মবেশে এক ব্যক্তি বাড়িতে ঢোকেন। এরপরই হেলমেট ও মাস্ক পরা আরও কয়েকজন প্রবেশ করেন। তাদের হাতে পিস্তল, শটগান ও ওয়াকিটকি ছিল। আমির হামজা প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে ছাদে যান এবং সেখান থেকে লাফ দিয়ে পাশের চিত্রা নদীতে পড়েন। সন্ত্রাসীরা সেখানেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।


আরও পড়ুন: বাগেরহাটে বাড়িতে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যা


এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেরুননেসা নাসরিন বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা বাগেরহাট ও খুলনার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনই আসামিদের নাম প্রকাশ করেনি।


চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম খান বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দাফন করা হয়েছে। নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন