বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের উভয় দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ভালোভাবেই অবগত যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল ও বিকাশমান। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিষয়গুলো গভীর, নিরপেক্ষ ও সতর্ক বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মনে করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যেকোনো দেশে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় প্রায়ই অনাকাঙ্ক্ষিত ও মর্মান্তিক পরিণতি ডেকে আনে। এই বাস্তবতার উদাহরণ হিসেবে ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ও তরুণ নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশে চলমান ঘটনাপ্রবাহের প্রতি ভারত মনোযোগী থাকলেও দেশটি প্রতিবেশী বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার চর্চা থেকে বিরত রয়েছে।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·