দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মেরামতের দিকে উভয় পক্ষই (বাংলাদেশ ও ভারত) যখন নজর দিচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই নয়াদিল্লি একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলো।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ) সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দিনেশ ত্রিবেদী শিগগিরই এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ত্রিবেদী প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন, যাকে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) নয়াদিল্লির পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসায় ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে।
আরও পড়ুন: প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউতে ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ
এতে আরও বলা হয়, গেল ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা শুরু করতে প্রণয় ভার্মা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফর করেন এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনা করেন।
দ্য হিন্দু বলছে, ওই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল বাণিজ্য, জ্বালানি ও জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা।
ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিষেক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা দেশটির প্রতিনিধিত্ব করার পর উভয় পক্ষ সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা শুরু করে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের ভূমিধস বিজয়ের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন তারেক রহমান।
সূত্র: দ্য হিন্দু
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·