বাঁচানো গেল না পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার নবজাতককে

২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই নবজাতককে (ছেলে) বাঁচানো গেল না। স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে সে। চিকিৎসকদের ধারণা, জন্মের পরই শিশুটিকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এর আগে রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভৈরবের চণ্ডিবের গ্রামের বালুর মাঠ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন স্থানীয় এক দম্পতি।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় চণ্ডিবের গ্রামের হেলাল নামের এক ব্যক্তি বালুর মাঠে গেলে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। পরে তিনি তার স্ত্রীকে ডেকে আনেন এবং খোঁজাখুঁজি করে একটি পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেট থেকে আওয়াজ আসতে দেখেন। প্যাকেট খুলতেই তারা রক্তাক্ত অবস্থায় এক নবজাতককে দেখতে পান। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ১২ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটি মারা যায়।

 

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে দুপক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২০

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর বলেন, ‘রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে চণ্ডিবের বালুর মাঠ এলাকার কয়েকজন লোক শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আমরা সাথে সাথেই তাকে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে থাকি। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে মারা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, জন্মের পরপরই তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল; কারণ তার একটি হাত ভাঙা পাওয়া গেছে।’

 

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে আসি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন