শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল থেকেই বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রীদের ঢল নামে। রাত ৮ টা থেকে পৌনে ৯ টার মধ্যে ঢাকার উদ্দেশ্য বরিশাল নদী বন্দর ত্যাগ করে ১০টি যাত্রীবাহি লঞ্চ।
এর আগে রাত পৌনে ৮ টার মধ্যে যাত্রীদের ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় নোঙর করা লঞ্চগুলো।
তবে এসময় যাত্রীদের কেবিন পেতে ভোগান্তির শিকার হতে দেখা যায়নি।
ঢাকাগামী যাত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, 'রোববার কর্মস্থলে যোগ দিবো তাই ভিড় ঠেলেই রওয়ানা দিয়েছি। ভেবেছিলাম ডেকেই যেতে হবে কিন্তু সহজেই কেবিন পেয়েছি।'
আরও পড়ুন: লঞ্চের অগ্রভাগ ধরে ঝুলছিলেন যাত্রী, প্রাণপণ চেষ্টায়ও হলো না শেষ রক্ষা
আরেক যাত্রী ফারজানা বেগম বলেন, 'ছুটির শেষ দিনটি পর্যন্ত পরিবারের সাথে কাটিয়েছি। তাই ভিড় হলেও গন্তব্যর উদ্দেশ্য রওয়ানা দিতে হয়েছে। যেহেতু রোববার থেকে অফিস খোলা।'
এম খান ৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. শুভ জানান, 'ঈদের ছুটি শেষ, তাই চাপ কিছুটা বাড়তি হলেও কেবিনের টিকেট সহজেই মিলছে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে আরও ১০ শতাংশ কম নেয়া হচ্ছে।'
বরিশাল নদী বন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, 'কোনো লঞ্চ যাতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাত্রা করতে না পারে সেজন্য আমরা নজরদারি করছি। একই সাথে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও নিয়মিত তদারকি করছেন।'
তিনি আরও জানান, 'অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার কোনো সুযোগ নেই। পাশপাশি যাতে কেউ যাত্রীদের হয়রারি না করতে পারে সেদিকেও কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: লালমোহনে লঞ্চের সঙ্গে অভিযান চালানো স্পিডবোটের ধাক্কা, নিখোঁজ পুলিশ সদস্য
এদিকে নদী বন্দরে যাত্রীদের নিরাপত্তায় পোশাকধারীর সাথে সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল। একই সাথে ডেক ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·