জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দফতর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৪ মে) সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি আমগাছ থেকে গত ২৮ এপ্রিল কয়েকজন শিক্ষার্থী আম পেড়ে খায়। এ ঘটনায় পরদিন প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারা বেগম তিন শিক্ষার্থীকে ডেকে নেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাদের বেত্রাঘাত করেন এবং পরে পায়ের স্যান্ডেল খুলে গলায় মালার মতো পরিয়ে ‘আমচোর’ লিখে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে ঘোরান।
ঘটনাটি অভিভাবকদের মাধ্যমে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে পরে শিক্ষিকা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চান। তবে এ ঘটনায় অসন্তোষ কাটেনি। অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীর জানান, ৩ মে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া হবে।
]]>
১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·