রোববার (৩ মে) দুপুরে শহরের আজাদ পাম্প সংলগ্ন ‘জীবন চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র’ নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এই জরিমানা আদায় করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান।
অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এম কে এ সাকিদার মূলত একজন পল্লী চিকিৎসক হলেও গত তিন বছর ধরে নিজেকে বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) কোনো সনদ ছাড়াই নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে তিনি সাধারণ রোগীদের সঙ্গে নিয়মিত প্রতারণা করে যাচ্ছিলেন।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, ওই কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বড় অংশই দালালের মাধ্যমে আসা। বিশেষ করে সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দূর-দূরান্তের সাধারণ মানুষদের দালালরা কৌশলে ভুল বুঝিয়ে এই ভুয়া কেন্দ্রে নিয়ে আসত। উপস্থিত একাধিক রোগী অভিযোগ করেন, তাদের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে এখানে আনা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে ভুয়া চিকিৎসক ও সহযোগী আটক
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার সব অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবেন না মর্মে অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবিলম্বে ভুয়া চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া এবং জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদফতর।

২ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·