‘ফ্রি ভিসার ফাঁদ’: মালদ্বীপে ভোগান্তি ও বেকারত্বের শিকার বহু বাংলাদেশি

৬ দিন আগে
নতুন কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে মালদ্বীপে পাড়ি জমানো বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এখন ভিসা জটিলতায় পড়ে চরম ভোগান্তি ও বেকারত্বের শিকার হচ্ছেন। মিথ্যা প্রলোভন আর মালিকানা ভিসার নাম করে ‘ফি ভিসা’র মাধ্যমে এ অসহায় যুবকদের সরলতার সুযোগ নিয়েছে প্রতারকচক্র।

নিজের এবং পরিবারের ভাগ্য বদলাতে প্রবাসে প্রতিবছর পাড়ি জমান অসংখ্য বাংলাদেশি। এই কঠিন পথে কখনও স্বজাতি আবার কখনও ভিনদেশির রোষানলে পড়তে হয় এসব অসহায় মানুষদের। তেমনই এক করুন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন নির্ভর দেশ মালদ্বীপে।

 

নতুন কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে দেশটিতে পাড়ি জমানো বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি যুবক এখন ভিসা জটিলতায় পড়ে চরম ভোগান্তি ও বেকারত্বের শিকার হচ্ছেন। মিথ্যে প্রলোভন আর মালিকানা ভিসার নাম করে ‘ফ্রি ভিসা’র মাধ্যমে এ অসহায় যুবকদের সরলতার সুযোগ নিয়েছে প্রতারকচক্র।

 

উচ্চ বেতনে চাকরি, বোনাসসহ ভালোভাবে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, এসব মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা একেকজনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকারও বেশি। তাদের অনেকের কাজ তো মিলছেই না, ঠিকমতো খাবারও জুটছে না। 

 

আরও পড়ুন: হাইকমিশনের সহায়তায় মালদ্বীপ থেকে ফিরছে রাশেদুল হাসানের লাশ

 

অনেক ভুক্তভোগী হাইকমিশনে এসে দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাশাপাশি দেশে ফিরতে ট্রাভেল পারমিটের আবেদনও করছেন। কেউ কেউ আবার দেশ থেকে ঋণ করে টাকা এনে ফিরে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

 

মালদ্বীপে নতুন কর্মসংস্থানের জন্য বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এজন্য কাজের ভিসায় মালদ্বীপ যেতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের এ ব্যয়ের অতিরিক্ত কোনো অর্থ না দেয়ার অনুরোধ ক‌রেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলা‌দেশ হাইক‌মিশন।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালদ্বীপে ‘ফ্রি ভিসা’ বলতে কোনো কিছুই নেই। এ তথ্য সবার জানা থাকা সত্ত্বেও, এটিকেই পুঁজি করে প্রতারণার বড় ফাঁদ পেতেছে দুই দেশে থাকা অসাধু চক্র।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন