শনিবার (১৪ মার্চ) সান্তিয়াগো বের্নাব্যুতে এলচের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথমার্ধে আন্টোনিও রুডিগার ও ভালভার্দের গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধে বাকি দুই গোল করেন ডিন হুইজেন ও আর্দা গুলের। এলচের একমাত্র গোলটি আত্মঘাতী। রিয়ালের মানুয়েল অ্যানহেল নিজেদের জালে বল পাঠান।
ঘরের মাঠে বলের দখলে পিছিয়ে থাকলেও আক্রমণে এগিয়ে ছিল রিয়াল। ৪৮ শতাংশ বল পজেশন ধরে রেখে ১৪টি শট নিয়েছে লস ব্লাঙ্কোরা, যার ৬টিই লক্ষ্যে ছিল। এলচের ১০ শটের ২টি লক্ষ্যে ছিল।
২৮ ম্যাচে ২১ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল। এই জয়ে শীর্ষে থাকা বার্সার সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান ১–এ নামিয়ে এনেছে আলভারো আরবেলোয়ার শিষ্যরা, তবে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা একটি ম্যাচ কম খেলেছেন। ২৭ ম্যাচে বার্সার সংগ্রহ ৬৭ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: ১৬ বছর বয়সীর ইতিহাসগড়া গোলে আর্সেনালের জয়, হেরেছে চেলসি
গত নভেম্বরে এলচের মাঠ থেকে ২-২ গোলের ড্র নিয়ে ফেরা রিয়াল ফিরতি দেখায় মাঠে নেমেছিল এমবাপ্পে, বেলিংহ্যাম, রদ্রিগোকে ছাড়াই। লিগে গোলখরায় থাকা ভিনিসিউস জুনিয়র আজও গোল পাননি। তবে ম্যানসিটি ম্যাচের পর এদিনও আক্রমণভাগের ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন অধিনায়ক ভালভার্দে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ২ ম্যাচে করলেন ৪ গোল।
এদিন প্রথম গোলের জন্য ৩৯ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে লস ব্লাঙ্কোদের। ভালভার্দের গতিময় শট এলচের গোলরক্ষক ফিস্ট করার পর হেড করে ক্লিয়ার করতে গিয়েছিলেন আদ্রিয়া পেদরোসা। কিন্তু বল চলে যায় রুডিগারের পায়ে। জোরাল ভলিতে বল জালে পাঠান তিনি।
২০২৪ সালের জানুয়ারির পর প্রথম গোল করলেন এই জার্মান ডিফেন্ডার।
পাঁচ মিনিট পরেই ফের গোল, এবার গোলদাতা ভালভার্দে। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে জোরাল শটে বল জালে পাঠান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর কিছুক্ষণ পরেই ভালভার্দে, ভিনিসিউস আর চুয়েমেনিকে তুলে নেন আরবেলোয়া। বদলি হিসেবে নামান একাডেমির তরুণদের। তাতে অবশ্য খেলায় কোনো প্রভাব পড়েনি।
আরও পড়ুন: রিয়ালের মাঠে আর্জেন্টিনার আপত্তি, ফিনালিসিমা যে মাঠে হতে পারে
৬৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় রিয়াল। দানিয়েল ইয়ানেসের ফ্রিকিকে চমৎকার হেডে গোল করেন হুইজেন। ৮৫ মিনিটে অ্যানহেলের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় এলচে। প্রতিপক্ষের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন তিনি।
তবে, এদিন ম্যাচের সেরা মুহূর্তটা ধরা দিয়েছে ৮৯ মিনিটে। নিজেদের রক্ষণভাগের একটু ওপরে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের পা থেকে বল পান গুলের। গোলরক্ষককে অনেকটা এগিয়ে থাকতে দেখে সেখান থেকেই লম্বা শট নেন এই তুর্কি মিডফিল্ডার। গোলরক্ষক গোলপোস্টে ফিরতে দৌড় দিলেও বল তার মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ায়। ৭২ মিটার দূর থেকে এই গোলটি করেন গুলের। চলতি মৌসুমের অন্যতম সেরা গোলের তালিকায় নিশ্চিতভাবে ওপরের দিকেই থাকবে এই গোলটি।
]]>

৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·