ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই প্রথম নির্বাচন। তবে গাজায় ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ। যেখানে পশ্চিম তীরে ছিল ৫৬ শতাংশ।
সংঘাত, ইসরাইলি বিধি-নিষেধ এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংকট, সব মিলিয়ে ভোটে অংশগ্রহণ কমেছে। অনেক সরঞ্জাম গাজায় পৌঁছাতে না পারা এবং মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামও বড় কারণ। তবুও মৌলিক সেবা নিশ্চিতে নিজেদের প্রতিনিধিকে বেছে নিতে ভোট দিয়েছেন অনেকে।
নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সমর্থিত ফাতাহপন্থি প্রার্থীরা অধিকাংশ আসনে জয় পেয়েছেন। গাজাতেও মিলেছে আসন।
আরও পড়ুন: যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার ভোট দিচ্ছে গাজাবাসী
প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোস্তাফা জানিয়েছেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পশ্চিম তীরে অনেক আসনেই তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে, আবারও স্থানীয় রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব দৃঢ় করেছে ফাতাহ ।
২০০৭ সাল থেকে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী হামাস এবারের নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেয়নি এবং পশ্চিম তীরে বয়কট করেছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, কিছু তালিকায় তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছেন। গাজায় ফাতাহ-সমর্থিত তালিকা ১৫টির মধ্যে ৬টি আসন পেলেও, হামাস-ঘনিষ্ঠ তালিকা মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছে। ফলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় ফাতাহ এগিয়ে থাকলেও হামাসের প্রভাব পুরোপুরি অনুপস্থিত নয়।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·