এমন শর্তযুক্ত ম্যাচে বড় সংগ্রহই লাগে! পাকিস্তান সেটা পেল ফখর জামান ও সাহিবজাদা ফারহানের ব্যাটে। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২১২ রান করেছে তারা, যদিও শেষদিকে ৩৪ রানের মধ্যে ৮টি উইকেট পড়ে না গেলে সংগ্রহটা আরও বড় হতে পারত। ফখর সেঞ্চুরি মিস করলেও ফারহান করেননি। ৬০ বলে ঠিক ১০০ রান করেছেন তিনি। ফখর করেন ৮৪ রান। বাকি কাজটা বোলারদের কাঁধে, শ্রীলঙ্কাকে আটকাতে হবে ১৪৭ রানের মধ্যে।
ফখর-ফারহান জুটির তাণ্ডবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে কোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েছেন তারা। ফখর জামানের বিদায়ে ১৭৬ রানে ভাঙে সেই জুটি। রেকর্ডটি কদিন আগেই নতুন করে লিখেছিল নিউজিল্যান্ড। ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট মিলে আরব আমিরাতের বিপক্ষে তুলেছিলেন ১৭৫ রান। সেই রেকর্ড টিকল মাত্র ১৮ দিন।
আরও পড়ুন: কোহলির এক আসরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ভাঙলেন পাকিস্তানের ফারহান
ক্যান্ডিতে প্রথম ঝড়টা তুলেন ফারহান। ৩২ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করার পথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ডে নাম লেখান তিনি। ২০১৪ সালে কোহলির করা ৩১৯ রানের রেকর্ড টপকে এই আসরে তিনি করেছেন ৩৮৩ রান।
ফারহানের চেয়ে ফখর জামানই ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। মাত্র ২৭ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। তার বিদায় শ্রীলঙ্কা প্রথম উইকেটটি পায় ১৬তম ওভারে। ৪২ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৯টি চার ও ৪টি ছয় দিয়ে। পরের ২৩ রানের মধ্যে পাকিস্তান হারায় খাজা নাফায়, শাদাব খান, মোহাম্মদ নাওয়াজ ও সালমান আগা আলীর উইকেট। এদের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।
ফারহান সেঞ্চুরি তুলে নেন ৫৯ বলে। অবশ্য পরের বলেই আউট হন। সেঞ্চুরি করার ইনিংসটিকে তিনি সাজান ৯টি চার ও ৫টি ছয়ের মারে। এবারের বিশ্বকাপে এটা তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, নামিবিয়ার বিপক্ষেও ঠিক ১০০ রান করেছিলেন। শ্রীলঙ্কার হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন দিলশান মদুশাঙ্কা, ২টি দাসুন শানাকা।

৬ দিন আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·