ফখর জামানের বিরুদ্ধে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

২ সপ্তাহ আগে
লাহোর কালান্দার্সের তারকা ফখর জামানের বিরুদ্ধে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) আচরণবিধির ২.১৪ ধারায় লেভেল–৩ অপরাধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি খেলার শর্তের ৪১.৩ ধারা লঙ্ঘন করেছেন, যেখানে বলের অবস্থা পরিবর্তন নিষিদ্ধ।

পিসিবি জানিয়েছে, ম্যাচ রেফারি রোশান মাহনামার নেতৃত্বে হওয়া শুনানিতে ফখর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা আরও জানিয়েছে, 'আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি শুনানি হবে, এরপর ম্যাচ রেফারি তার রায় দেবেন।'


বিতর্কটির জন্ম করাচি কিংসের ইনিংসের শেষ ওভারের আগে। তখন অন-ফিল্ড আম্পায়াররা বল পরীক্ষা করে দেখেন যে এর অবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে ফিল্ডিং দলের ওপর ৫ রান পেনাল্টি দেওয়া হয়, যার কারণে করাচির লক্ষ্য ১৪ রান থেকে কমে ৯ রানে নেমে আসে।


এই ঘটনার আগে ফখর, লাহোরের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি এবং পেসার হারিস রউফের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়, যেখানে ফখর ও রউফের মধ্যে বল আদান-প্রদান দেখা যায়। পরে আম্পায়ার রউফের কাছ থেকে বলটি নিয়ে পরীক্ষা করেন এবং স্কয়ার লেগ আম্পায়ারের সঙ্গে পরামর্শ করে পেনাল্টি দেন ও বল পরিবর্তনের নির্দেশ দেন।

 

আরও পড়ুন: কোথাও কোনো সংকট দেখছেন না বুলবুল


এই পেনাল্টিই ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলে। আব্বাস আফ্রিদি একটি চার ও একটি ছক্কা মেরে করাচিকে ৩ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটের জয় এনে দেন।


ম্যাচ শেষে শাহিন বলেন, তারা ঘটনাটি পর্যালোচনা করবেন। তার ভাষায়, 'আমি এ বিষয়ে (বল টেম্পারিং) কিছু জানি না। আমরা আলোচনা করব। ৫ রানের পেনাল্টি... তবে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না, আমরা দেখব।'


ম্যাচ হারলেও দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট শাহিন, 'এটা ভালো ম্যাচ ছিল। আমরা শেষ বল পর্যন্ত লড়তে চেয়েছি। দুই দলের ব্যাটিংই প্রায় একই রকম ছিল। আমার মনে হয় আমাদের ব্যাটিং ঠিক ছিল, না হলে করাচি ১৫ ওভারেই ম্যাচ জিতে যেত।'


যদি বল টেম্পারিং প্রমাণিত হয়, তাহলে ফখর জামান প্রথম অপরাধে ১ বা ২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।


একই ম্যাচে শাস্তি পেয়েছেন করাচি কিংসের পেসার হাসান আলীও।  এই পেসারকে ম্যাচ ফি’র ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। তিনি অপরাধ স্বীকার করে শাস্তি মেনে নিয়েছেন।


হাসান আলি আচরণবিধির ২.৫ ধারা ভঙ্গ করেছেন, যা ব্যাটার আউট হওয়ার পর এমন ভাষা, আচরণ বা ইঙ্গিত ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত যা অপমানজনক বা আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে।

 

আরও পড়ুন: আদালতে সাফাই তামিমার, ৭ বছরের কারাদণ্ডের আশঙ্কায় নাসির দম্পতি


ঘটনাটি ঘটে লাহোরের ইনিংসের ১৯তম ওভারের শেষ বলে, যখন তিনি হাসিবুল্লাহ খানকে আউট করেন।


প্রথমে ব্যাট করে লাহোর ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৮ রান করে। আব্দুল্লাহ শফিক ২৪ বলে ৩৩ রান করেন, আর হাসিবউল্লাহ খান করেন ৩০ বলে ২৮ রান।


জবাবে করাচির হয়ে মোহাম্মদ ওয়াসিম ৩৭ বলে ৩৮ রান করেন। এছাড়া সাদ বেগ ১৯ এবং মঈন আলী ১৮ রান করে দলের জয়ে অবদান রাখেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন